তিনি বলেন ‘বিকাশমান গণতন্ত্রের মাতার ভূমিকা পালন করে গণমাধ্যম একটা
রাষ্ট্রকে শাসন ও স্নেহ দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যায়। তাই, আমরা চাই আপনারা নির্ভয়ে
সরকারের সমালোচনা করুন, ত্রুটি-বিচ্যুতি ধরিয়ে দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা
করুন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা এবং গণমাধ্যমের মধ্যে কোন বিরোধিতা নেই। বরং খালেদা জিয়া কিছু মিডিয়ার পক্ষ নিয়ে মিথ্যাচারের মাধ্যমে ওকালতি করছেন।’
এসময় মালিকপক্ষ ও সাংবাদিকদের দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে ওয়েজবোর্ডের সংশোধন করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সিইউজে সভাপতি শহীদ উল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, বিএফইউজে মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি আলতাফ মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ।
উদ্বোধনকালে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা রোধের জন্য পেশাদার সাংবাদিকদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে হবে। পেশাদার সাংবাদিকরা তাদের রুটি-রুজির জায়গাকে কলুষিত করে না। অসাংবাদিকদের হাতে সংবাদপত্র থাকলে অরাজকতা সৃষ্টি হয়।’
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের ঐক্যের কথা বলা হয়। সাংবাদিকদের বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ঐক্য দরকার। কিন্তু চেতনা বিসর্জন দিয়ে কোন ঐক্য নয়। সাংবাদিকরা নিরপেক্ষ বটে, অস্তিত্বের সংকটে সবসময়ই স্বাধীনতার পক্ষে। দেশের অস্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে আপস করে কোন ঐক্য করা যাবে না।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবদুল জলিল ভূঁইয়া বলেন, ‘মালিকদের ডেকে এক মন্ত্রী সংবাদপত্রকে শিল্প ঘোষণা করছেন। কিন্তু সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে কিছু করা যাবে না। সংবাদপত্র শিল্প হলে সে শিল্পের সুফল সাংবাদিকদেরও পেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের অনেক বৈষম্য রয়েছে। এ সকল বৈষম্য রোধ করার জন্য সকলকে সোচ্চার হতে হবে।’
দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, ‘সংবাদপত্র ও সাংবাদিকরা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কাউকে বাদ দিয়ে এককভাবে কারো স্বার্থ চিন্তা করা যাবে না। মফস্বলের সংবাদপত্র বেঁচে থাকলে মফস্বল সাংবাদিকরা বেঁচে থাকবেন।’
আলতাফ মাহমুদ বলেন, ‘সাংবাদিকদের অনেক কষ্টের ফসল ওয়েজ বোর্ড। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অস্থিতিশীল সময়েও এর জন্য আন্দোলন করতে হয়েছে। এর যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে।’
তিনি আক্ষেপ করেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় অনেক সাংবাদিক আহত হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের কোন খবর নেওয়া হয়নি।’
কুদ্দুস আফ্রাদ বলেন, ‘ওয়েজ বোর্ডের অসঙ্গতি দূর করা জরুরী। বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে মফস্বল চিন্তা করলে হবে না। রাজধানীর সঙ্গে চট্টগ্রামকেও একই মানে রাখতে হবে।’
সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের সহ-সভাপতি আবু তাহের মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব সাইফুল ইসলাম তালুকদার, কোষাধ্যক্ষ খায়রুজ্জামান বাবর, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ হায়দার, নারী নেত্রী ববিতা বড়ুয়া, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক ম শামসুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে এক গুণীজন ও তিন কৃতি সাংবাদিককে সংবর্ধনা দেয় সিইউজে। এরা হলেন, একুশে পদকপ্রাপ্ত খ্যাতনামা সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন, সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, এম নাসিরুল হক ও নূর সুলতান কুতুবী। এদের মধ্যে অনুপম সেন দেশের বাইরে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩০ ঘণ্টা, মার্চ ৩০, ২০১৪
মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা এবং গণমাধ্যমের মধ্যে কোন বিরোধিতা নেই। বরং খালেদা জিয়া কিছু মিডিয়ার পক্ষ নিয়ে মিথ্যাচারের মাধ্যমে ওকালতি করছেন।’
এসময় মালিকপক্ষ ও সাংবাদিকদের দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে ওয়েজবোর্ডের সংশোধন করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সিইউজে সভাপতি শহীদ উল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, বিএফইউজে মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি আলতাফ মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ।
উদ্বোধনকালে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা রোধের জন্য পেশাদার সাংবাদিকদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে হবে। পেশাদার সাংবাদিকরা তাদের রুটি-রুজির জায়গাকে কলুষিত করে না। অসাংবাদিকদের হাতে সংবাদপত্র থাকলে অরাজকতা সৃষ্টি হয়।’
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের ঐক্যের কথা বলা হয়। সাংবাদিকদের বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ঐক্য দরকার। কিন্তু চেতনা বিসর্জন দিয়ে কোন ঐক্য নয়। সাংবাদিকরা নিরপেক্ষ বটে, অস্তিত্বের সংকটে সবসময়ই স্বাধীনতার পক্ষে। দেশের অস্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে আপস করে কোন ঐক্য করা যাবে না।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবদুল জলিল ভূঁইয়া বলেন, ‘মালিকদের ডেকে এক মন্ত্রী সংবাদপত্রকে শিল্প ঘোষণা করছেন। কিন্তু সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে কিছু করা যাবে না। সংবাদপত্র শিল্প হলে সে শিল্পের সুফল সাংবাদিকদেরও পেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের অনেক বৈষম্য রয়েছে। এ সকল বৈষম্য রোধ করার জন্য সকলকে সোচ্চার হতে হবে।’
দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, ‘সংবাদপত্র ও সাংবাদিকরা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কাউকে বাদ দিয়ে এককভাবে কারো স্বার্থ চিন্তা করা যাবে না। মফস্বলের সংবাদপত্র বেঁচে থাকলে মফস্বল সাংবাদিকরা বেঁচে থাকবেন।’
আলতাফ মাহমুদ বলেন, ‘সাংবাদিকদের অনেক কষ্টের ফসল ওয়েজ বোর্ড। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অস্থিতিশীল সময়েও এর জন্য আন্দোলন করতে হয়েছে। এর যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে।’
তিনি আক্ষেপ করেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় অনেক সাংবাদিক আহত হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের কোন খবর নেওয়া হয়নি।’
কুদ্দুস আফ্রাদ বলেন, ‘ওয়েজ বোর্ডের অসঙ্গতি দূর করা জরুরী। বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে মফস্বল চিন্তা করলে হবে না। রাজধানীর সঙ্গে চট্টগ্রামকেও একই মানে রাখতে হবে।’
সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের সহ-সভাপতি আবু তাহের মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব সাইফুল ইসলাম তালুকদার, কোষাধ্যক্ষ খায়রুজ্জামান বাবর, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ হায়দার, নারী নেত্রী ববিতা বড়ুয়া, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক ম শামসুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে এক গুণীজন ও তিন কৃতি সাংবাদিককে সংবর্ধনা দেয় সিইউজে। এরা হলেন, একুশে পদকপ্রাপ্ত খ্যাতনামা সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন, সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, এম নাসিরুল হক ও নূর সুলতান কুতুবী। এদের মধ্যে অনুপম সেন দেশের বাইরে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩০ ঘণ্টা, মার্চ ৩০, ২০১৪
চট্টগ্রাম: সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য
উদঘাটনে প্রশাসনের ব্যর্থতাকে লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী
হাসানুল হক ইনু।
No comments:
Post a Comment